স্টাফ রিপোর্টার:শাকিল মোল্লা
গাজীপুরে খণ্ডিত নারীর লাশ উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩।
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ডোবার পানিতে ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা খণ্ডিত ও অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত নারীর নাম ডলি আক্তার (৩০)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. মিশন ইসলাম (২২), তার মা বানু আক্তার (৪৩) এবং মো. মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪)। পিবিআইয়ের দাবি, মিশন ইসলাম নিহত ডলি আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক।
তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা :জনাব মোঃ রফিকুল আক্তার পুলিশ সুপার জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন আসামির দেওয়া তথ্য ও তাদের দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি-দা, লাশ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহতের NID কার্ড, ব্যবহৃত বাটন মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিই বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন ভবানীপুর এলাকার হামজা অ্যাপারেলস লিমিটেডের উত্তর পাশে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে খালের পানিতে একটি ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা অবস্থায় এক নারীর খণ্ডিত ও অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলে পিবিআই গাজীপুর জেলা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআই গাজীপুর জেলার ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে।
পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীর নেতৃত্বে ক্রাইমসিন টিম আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও তদন্তের বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে কাজ শুরু করে।
পরবর্তীতে তদন্তের ধারাবাহিকতায় নিহতের পরিচয় ডলি আক্তার (৩০) হিসেবে শনাক্ত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়ি