স্টাফ রিপোর্টার:রাকিব ইসলাম
:গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানাধীন তালটিয়া পূর্বপাড়া সুন্নি বাইতুল নূর জামে মসজিদে নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সাবেক সভাপতি সেক্রেটারি ও বর্তমান উপদেষ্টা মোক্তার হোসেন আহতরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার সকালে পূবাইল সাংবাদিক ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এজাহারকারী মোক্তার হোসেনের ছেলে সোহাগ অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে বাড়ি ফেরার পথে তার বাবা মোক্তার হোসেন ও তিনি অতর্কিত হামলার শিকার হন। অভিযুক্ত রাকিব, রাসেল,কাকন, সেলিম,মাসুম,আবুসাঈদ,আতিক, রিপণ সালাম,বাহারুল সহ অজ্ঞাতনামা ১০–১২ জন লোক তাদের গতিরোধ করে হকিস্টিক, রামদা ও চাপাতি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
অভিযোগে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা মোক্তার হোসেন উল্লেখ করেন ,৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুর দুইটার সময় মসজিদে অবস্থানকালে নতুন করে মসজিদ কমিটি গঠন করা হয়। পরে ইমাম–মুয়াজ্জিন পরিবর্তন নিয়ে রাসেল বলে আজকের মধ্যে ঈমাম মোয়াজ্জেম পরিবর্তন করতে হবে।এর উত্তরে বর্তমান উপদেষ্টা মোক্তার হোসেন বলেন এই দায়িত্ব কমিটির উপর তোমার না এই নিয়ে বাকবিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। এ সময় অভিযুক্ত রাসেল ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে পরিবর্তনের দাবি করলে মসজিদ কমিটির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা মোক্তার হোসেন আপত্তি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত রাকিব হকিস্টিক দিয়ে মোক্তার হোসেনকে মারধর করেন। এ সময় মসজিদ কমিটির সদস্য মো. ইউনুস গাজী,শফিকুল ইসলাম, মো. রিপন কে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তারা শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আহতরা হাসপাতালে থাকার সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও গালিগালাজ করে। এমনকি রাকিব তার মোবাইল ফোন থেকে মোক্তার হোসেনের ছেলে সোহাগকে হত্যার হুমকি দেন।
অন্যদিকে, অপর পক্ষও থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের ও সংবাদ সম্মেলন করেছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম আবু রায়হান বলেন,জুমার নামাজের আগে সবাইকে জানিয়ে সর্বসম্মতভাবে কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু নামাজ শেষে বাইরে এসে রাসেলদের একপক্ষ গালিগালাজ ও মোক্তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পূবাইল থানা পুলিশ জানায়, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোক্তার হোসেনের ছেলে সোহাগসহ আহতরা তাদের মারধরের ন্যায় সঙ্গত বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।