Headline :
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার ‘শ্রেষ্ঠ ইউএনও’ নির্বাচিত এ.টি.এম. কামরুল ইসলাম।শাকিল কালীগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তিকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। গাজীপুরে কালিগঞ্জে ভাষানিয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে, হুমকির অভিযোগ। গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: মাটি কাটায় ২ লাখ টাকা জরিমানা। গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাটি কাটা ও ইভটিজিংয়ের দায়ে তিন মামলা, জরিমানা ও কারাদণ্ড। গাজীপুরের কালীগঞ্জে পৃথক দুটি মাদক মামলায় দুই ব্যক্তির কারাদণ্ড। কালীগঞ্জের আওড়াখালী বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৭ ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা নাগরী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউএনডিপির তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প শুরু। গাজীপুরের কালীগঞ্জে বুরুলিয়া গ্রামের নিপুন ডি কস্তা কে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা। কালীগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

ফতুল্লায় সোর্স মুন্নার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন।

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি :সেলিম আহমেদ 

ফতুল্লার কুতুবপুরে আওয়ামী দোসর সোর্স পরিচয়ে মামুনুর রশিদ মুন্না’র অত্যাচারে ও অপকর্মে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষ সোর্স মুন্নার অত্যাচার থেকে বাচঁতে এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছে আবদুর রহিম নামে এক ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার ২৪ মার্চ বাদ আসর ফতুল্লা মডেল রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়নে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে পাগলা পুর্ব শাহীমহল্লার মৃত.হানিফ বেপারীর ছেলে মো.আবদুর রহিম বলেন,ব্যক্তিগত আক্রোশের কারনে বিভিন্ন সময়ে ও তারিখে আমার বোন ও বোন জামাইকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে মামুনুর রশীদ মুন্না@ সোর্স মুন্না নামে এক ব্যক্তি মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে।

তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ২৩ মার্চ সন্ধ্যা অনুমান ৭.৪৫ ঘটিকার সময় মিথ্যা সংবাদ প্রদান করে আমাকে ও আমার বোন জামাইকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আমার বাড়িতে র‌্যাব ও পুলিশকে সাথে নিয়ে কোন রকম সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই বাড়ি ঘরে ব্যাপক তল্লাশি চালায় এবং আমার পরিবারের সদস্যদের মনে ভীতির সৃষ্টি করে।

যাতে এলাকাবাসীর কাছে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। সোর্স মুন্নার অত্যাচারের হাত থেকে কুতুবপুরের সাধারন মানুষ তথা ভুক্তভোগী পরিবারদের মুক্ত করার লক্ষ্যে আমার আজকের সংবাদ সম্মেলন। আমার বাড়িতে সার্চ অপারেশন শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পর কথিত সোর্স মুন্না আমাকে ফোন করে মোটা অংকের টাকা দাবী করে, টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় এডিট এর মাধ্যমে আমার ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও আপলোড করে যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরও বলেন,মূলত মুন্নার কোন ব্যবসা বাণিজ্য নাই। অনেকটা রাজার হালেই চলে তার জীবন যাপন। বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে, আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদের সাথে সক্ষ্যতা গড়ে তুলে।

বিএনপি নেতাদের পুলিশি হয়রানী ব্যবসায়ীদেরকে চাঁদার জন্য চাপ প্রয়োগ। কুতুবপুর জুড়েই চিহিৃত মাদক বিক্রেতাদের মাদক ব্যবসার শেল্টার দাতা হিসাবে পরিচিত।

বিগত ৫ আগস্টের পর আওয়ামীলীগের অনেক নেতাকর্মীকে পুলিশ দিয়ে হয়রানী ও গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করার দায়ে একাধিকবার কয়েক স্থানে হামলা ও গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে মুন্না।

বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন অপরাধী সাজাইয়া থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও র‌্যাব দিয়ে অভিযান চালিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়াই মুন্নার কাজ।

বর্তমানে পাগলা, তালতলা, মুন্সিখোলা এলাকায় নামধারী কিছু বিএনপি নেতাদের সাথে আতাতের মাধ্যমে চোরাই মালামাল সিন্ডিকেটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই মুন্না। তালতলা এলাকায় জুয়ার বোর্ড থেকে মাসোহারা আনতে গিয়ে গণ ধোলাইয়ের শিকার হয় কথিত সোর্স মুন্না।

মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কারনে তার প্রথম স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে যায়।

বিগত সময়ে আওয়ামীলীগ নেতা শাহ-নিজাম ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, মেম্বার আলাউদ্দিন হাওলাদার সহ বিভিন্ন আওয়ামী নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে ভূমি দস্যুতা সহ নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে অত্যাধিক বেপরোয়া হয়ে উঠে মুন্না।

কুতুবপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মীর হোসেন মীরুর হাত ধরেই মাদক ব্যবসা ও সোর্সিং পেশার সাথে যুক্ত হয় মুন্না। একজন রিক্সা চালকের ছেলে বীর দর্পে চালিয়ে যাচ্ছে হাজারো অপকর্ম। তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছে কুতুবপুরের সাধারণ জনগণ ও কয়েকটি ভূক্তভোগী পরিবার।

সোর্স মুন্না প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী জুলেখা বলেন, ঈদের আগে সোর্স মুন্না পুলিশ নিয়ে আমার ঘরে অভিযোন চালিয়ে ২ লক্ষ টাকা দাবী করে। কিন্তু সেদিন ভয়ভীতি দেখিয়ে পুলিশকে সাথে নিয়ে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আসে। সোমবার রাতে র‌্যাব ও পুলিশ নিয়ে পুনরায় অভিযান চালিয়ে আমার ঘর তছনছ করে ফেলে। আমি ও আমার স্বামী গ্রামের বাড়ি হতে জমি বিক্রি বাবদ আড়াইলাখ টাকা ঘরের আলমারিতে রাখি।

এ সময় মুন্না ও তার স্ত্রীও র‌্যাব-পুলিশের সাথে অভিযান ছিলো এবং আমার আলমারিতে থাকা সেই জমি বিক্রির আড়াইলাখ টাকা ও দুই নাতির ১০ আনা ওজনের (৪ আনা ও ৬ আনা ) স্বর্নের কানের দুলগুলো নিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী জুলেখার স্বামী সরবত আলী, ৭ নং ওয়ার্ড যুব দলের সভাপতি মিরাজ, সাধারণ সম্পাদক মিরাজ, ৫ নং ওয়ার্ড যুব দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল, সহ সাংগঠনিক উজ্জ্বল, ৬ নং ওয়ার্ড যুব দলের সভাপতি আশিকুর রহমান শফিক, ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বাবু, সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category